ভিজিটর সংখ্যা

জনপ্রিয়

T@NB!R ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Blogger দ্বারা পরিচালিত.

Social

Random Post

নাম

your name

ইমেল *

Your Email

বার্তা *

your message

Pages

Like Us On Facebook

Popular Posts

বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০১৫

postheadericon কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফ্‌টওয়ার সম্পর্কিত সমস্যার ১০০ টি সমাধান


1. অপারেটিং সিস্টেম লোডিং টাইম
💻 সমাধান: সম্ভবত আপনার কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত । আপনি কোন ভালো অ্যান্টিভাইরাস ব্যাবহার করে দেখতে পারেন।
সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম
 
2. পিসি বারবার হ্যাং করছে
💻 সমাধান: বিনা কারণেই যদি পিসি হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন খেয়াল করবেন র‌্যাম স্লটে ঠিকমতো বসানো আছে কিনা। এরপর যদি একাধিক র‌্যাম ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খেয়াল করুন সবগুলোই একই বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা। সিস্টেম স্ট্যাবিলিটির জন্য একই বাসস্পিডবিশিষ্ট র‌্যাম ব্যবহার করা খুবই জরুরি। এছাড়া ভাইরাসের কারণেও এমনটা হতে পারে।
সমস্যার ধরণ: হার্ডডিস্ক, সিডি রম, RAM
 
3. কম্পিউটারের কেসিং খুলতে সাহায্য চাই
💻 সমাধান: কম্পিউটারের কেসিং খোলার কাজটি খুব সহজ। একটু ভালো করে খেয়াল করলেই আপনি এটি করতে পারবেন। সাধারণত কেসিং-এর পেছনে এটি খোলার ২+২=৪টি স্ক্রু থাকে। কেসিং খোলার আগের পাওয়ার সাপ্লাই অফ করুন। মাদারবোর্ডের পেছন থেকে সব প্লাগ খুলে ফেলুন।
সামনে থেকে কেসিংটাকে দেখলে এর বামপাশের অংশটি খুলতে হয়। এর পেছনে স্ক্রু দুটি খুলতে ভালো চারকোণা স্ক্রু ড্রাইভার লাগবে আপনার। খোলা স্ক্রু সযত্নে রাখুন।
স্ক্রু খোলা হয়ে গেলে কেসিং-এর পাশ থেকে কভারটি আলাদা করে নিন। সাধারণত কভারটি পেছনদিকে কিছুটা স্লাইড করে খুলতে হয়।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার


4. বাসায় ওয়াই ফাই সেটাপ করতে চাই
💻 সমাধান: আপনি যদি ল্যাপটপে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে চান তাহলে শুধু একটা ওয়াইফাই রাউটার কিনলেই হবে। আর ডেস্কটপে ব্যবহার করতে চাইলে ডেস্কটপের জন্য আলাদা এডাপ্টার কিনতে হবে। অথবা চাইলে ডেস্কটপে রাউটার থেকে ল্যান ক্যাবল দিয়েও ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্কিং এর কাজ করতে পারবেন। বাজারে দুই ধরনের রাউটার পাওয়া যায়। ৫৪ এমবিপিএস এবং ৩০০ এমবিপিএস। মোটামুটি ২২০০ টাকার মধ্যেই ৫৪ এমবিপিএস রাউটার পাওয়া সম্ভব। আর রাউটার সেটাপ করা অনেকটা ক্যাবল ইন্টারনেট সেটাপের মতোই। এটা সংশ্লিষ্ট ম্যানুয়াল দেখে সহজেই আপনি করে নিতে পারবেন।
সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট


5. গুগল ক্রোমের সমস্যা
💻 সমাধান: আপনার ক্রোমে যদি কোনো থার্ড পার্টি এড অন ইন্সতল করা থাকে তাহলে তা মুছে ফেলুন। ব্রাউজারের হিস্টরি এবং কুকিস মুছেও দেখতে পারেন। এতেও কাজ না হলে ক্রোমের নতুন এবং সর্বশেষ ভার্সন ব্যবহার করুন। ক্রোম সাধারণত প্রতি সপ্তাহেই নতুন নতুন ভার্সন বের করে।
সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট


6. সিডি ড্রাইভের সমস্যা
💻 সমাধান: যদি সিডি ড্রাইভটি সাটা হয় তাহলে তার পোর্ট পরিবর্তন করে দেখুন। আর সিডি ড্রাইভ বেশি পুরাতন হলে তার হেড পরিস্কার করাটা জরুরি।
সমস্যার ধরণ: হার্ডডিস্ক, সিডি রম, RAM


7. কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ শনাক্তের উপায়
💻 সমাধান: কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সম্পর্কে ধারণা পেতে হলে আগে আপনাকে কেসিং খুলেতে হবে। এজন্য কেসিং এর পেছনের দুইটি স্ক্রু খুলে ভেতরে তাকান।
1) মূল যে বড় সার্কিট বোর্ডটি দেখছেন তাই মাদারবোর্ড। আর পাওয়ার সাপ্লাই থাকে কেসিং এর উপরে পেছন দিকে। পাওয়ার সাপ্লাই থেকে অনেকগুলো লাল, হলুদ, কালো বা নীল তার বের হয়ে আসে। এর কিছু সংযুক্ত মাদারবোর্ডে আর কিছু সরাসরি অন্য হার্ডওয়্যারে যেমন- সিডি ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক।
2) মাদারবোর্ডে প্রসেসর কোনটি তা বুঝতে এর কুলিং ফ্যান খুঁজে বের করুন। সাধারণত এটি মাদারবোর্ডের উপরে কিছুটা বামে থাকে। প্রসেসর ফ্যানের জন্য সরাসরি দেখা সম্ভব নয়।
3) র‌্যাম সাধারণ প্রসেসরের ডানপাশে থাকে। মডেলভেদে ২-৪টি স্লট, লম্বাকৃতির।
4) সাউন্ডকার্ড কোনটি বুঝতে হলে খুঁজে বের করুন স্পিকারের ইনপুট জ্যাক কোথায় লাগে সেই ডিভাইসটি।
5) একইভাবে মনিটরের ক্যাবল দিয়ে জানতে পারবেন কোনটি আপনার গ্রাফিক্স কার্ড।
6) একই উপায়ে মডেম (টেলিফোনের তার), ল্যান কার্ড (ব্রন্ডব্যান্ড ইন্টারনেটের তার) খুঁজে বের করতে পারবেন আপনি।
7) চিকন চিকন লাল, হলুদ, কাল বা নীল তারগুলো পাওয়ার ক্যাবল। সাদা বা লাল চওড়া ক্যাবলগুলো ডাটা ক্যাবল।
8) সাধারণ একটি পিসিতে কেসিং-এর পেছনে পাওয়ার কর্ড, মনিটর কর্ড, মাউস ও কী-বোর্ড, স্পিকার ইনপুট এগুলো প্রাথমিক অনুসঙ্গ যা সব পিসিতেই আছে।
বিভিন্ন ক্যাবল আলাদা রকমের হওয়াতে সবচেয়ে বড় সুবিধা এক ধরনের কানেকশন আপনি ভুল করে চাইলেও অন্যটিতে লাগাতে পারবেন না।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার


8. কম্পিউটার চালু না হলে করণীয় কি?
💻 সমাধান: এটিকে একটি পরিচিত সমস্যা হিসেবেই চিহ্নিত করতে চাই। নিয়মিত কম্পিউটার চালু হয় না এমনটা বললে মনে হয় ভুল বলা হবে না। নতুন ব্যবহারকারীদের কাছে এই সমস্যার একটাই সমাধান। তা হচ্ছে বিক্রেতার শরণাপন্ন হয়ে অযথা পয়সা খরচ। নিচের কথাগুলো শুনুন মনোযোগ দিয়ে। আশা করি আপনার চেষ্টা বিফলে যাবে না।
🎯 পাওয়ার সুইচ অন করার পর সিস্টেমের ইন্টারনাল স্পিকার কয়টা আওয়াজ করলো খেয়াল করুন। যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না। অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিকমতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।
🎯 যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র‌্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড। র‌্যাম পরিবর্তন না স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
🎯যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।
🎯 আর যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না।
🎯 তবে এর জন্য আপনার পিসিতে ইন্টারনাল স্পীকার কিন্তু থাকতে হবে। অনেক মাদারবোর্ডে ইন্টারনাল স্পীকার বিল্ট-ইন থাকে।অন্যগুলাতে আলাদা লাগাবে হয়।সাধারনত কম্পিউটার কেনার সময় বিক্রেতাই এটি দিয়ে দেয় তবে অনেকসময় ভুলে তা ঠিকমতো লাগানো নাও থাকতে পারে।সেক্ষেত্রে আপনার মাদারবোর্ডের বক্সে দেখুন স্পীকার পান কিনা।নইলে সময় করে বিক্রেতার কাছ থেকে নিয়ে আসুন।বুঝতেই পারছেন কেন আমি এটাকে এতো গুরুত্ব দিচ্ছি।
🎯 মনিটরের দিকে তাকান। এটি কি স্লীপ মোডে আছে ? অর্থাৎ এর লেড লাইট কি জ্বলছে নিভছে কিনা খেয়াল করুন। যদি তা না হয় অর্থাৎ লেড লাইট জ্বলেই থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে আপনাকে অভিনন্দন। আপনার মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ঠিক আছে।সমস্যাটা ছোটোখাটো।নো টেনশন!
🎯 যদি পাওয়ার অন করাই সম্ভব না হয় তাহলে কেসিং খুলে দেখুন নিঃসন্দেহে আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা। খোঁজার চেষ্টা করুন সমস্যাটা কোথায়।
🎯 এবারে ধরুন মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি রেসপন্স করছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।
🎯 এবারেও কাজ হয়নি ? হতে পারে আপনার পাওয়ার সুইচেই সমস্যা। অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা। তবে অনভিজ্ঞরা এই কাজটি না করতে যাওয়াটাই ভালো।
🎯 পাওয়ার সংক্রান্ত সমস্যার আশাকরি সমাধান হলো। এবারও কম্পিউটার চালু হচ্ছে না ? তাহলে বুঝতে হবে র‌্যামের সমস্যা। র‌্যামের স্লট পরিবর্তন করে নতুবা অন্য র‌্যাম লাগিয়ে দেখুন।
🎯 কম্পিউটার বুট হলো ঠিকঠাক কিন্তু উইন্ডোজ লোডিং-এর আগেই আটকে গেছে ? তখন বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কের সমস্যা। হার্ডডিস্কের পাওয়ার ও ডাটা ক্যাবলের কানেকশন চেক করুন। সম্ভব হবে মাদারবোর্ডের যে কানেক্টরে ক্যাবলটি লাগানো তা পরিবর্তন করে দেখুন। এছাড়া এমনটি কি হচ্ছে কম্পিউটার ঠিকমতো চালু হচ্ছে হয়তো অপারেটিং সিস্টেমও লোড হচ্ছে তারপর ধুড়ুম করে পিসি বন্ধ হয়ে রিস্টার্ট করছে। এটি সম্ভবত প্রসেসরের কুলিং ফ্যান বা হিটসিংক ও প্রসেসরের কানেকশনের দুর্বলতার কারণে হচ্ছে। চেক করে দেখুন ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কি-না বা ফ্যানসহ সবকিছু ঠিকমতো টাইট আছে কিনা। পারলে কুলিং ফ্যানসহ হিটসিংক খুলে আবারও লাগান। কুলিং ফ্যান দুইপাশে একসাথে চাপ দিয়ে খুলতে হয়।
আর হঠাৎ করে বন্ধ না হলে মানে একটু সময় নিয়ে সংকেত দিয়ে বন্ধ হওয়া মানে ভাইরাসের আক্রমণের শিকার আপনি।
হঠাৎ বলতে আমি এটা বুঝাচ্ছি যে কম্পিউটার চলার সময় পাওয়ার চলে গেলে যেভাবে বন্ধ হয় সেরকম ঘটনা।
এছাড়াও কোনো না কোনো ক্যাবল লুজ/ নষ্ট হয়ে যাবার কারণেও কম্পিউটার চালু হওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই ব্যাপারটিও খেয়াল রাখবেন।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার


9. মনিটরে ছবি আসে না
💻 সমাধান: যদি মনিটরে কোনো ডিসপ্লে না আসে এবং এর লেড লাইট জ্বলে নিভে তখন বুঝতে হবে গ্রাফিক্স/ভিডিও কার্ডে কোনো সমস্যা বা মনিটরের ক্যাবল কানেকশন লুজ হয়ে গেছে। কানেকশন চেক করুন। অনেকসময় র‍্যামের স্লট পরিবর্তন করলেও এই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। বায়োস সেটিংস রিসেট করেও দেখতে পারেন।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার


10. গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা বোঝার উপায় কি?
💻 সমাধান: যদি মনিটর ও পিসির পাওয়ার সুইচ অন করার পর তিনটি শর্ট বীপ শুনতে পান তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডে সমস্যা। আপনার গ্রাফিক্স কার্ডটি খুলে অন্য পিসিতে লাগিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন এটি ঠিক আছে কিনা। আর যদি বিল্টইন গ্রাফিক্স হয় তাহলে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড এজিপি স্লটে লাগিয়ে টেস্ট করতে পারেন।ইন্টিগ্রেটেড এজিপির সমস্যা সমাধানে বায়োস সেটিংস রিসেট করে দেখতে পারেন।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার


11. মনিটর ঝাপসা বা ছবি কাঁপলে কি করতে পারি?
💻 সমাধান: যদি মনিটর ঝাপসা মনে হয় বা এটি কাঁপতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে মনিটর ও গ্রাফিক্স কার্ডের রিফ্রেশ রেটে অসামঞ্জস্য আছে। যদি উইন্ডোজ লোড হওয়াকালীন এই সমস্যা হয় তাহলে বুঝবেন মনিটরের রিফ্রেশ রেট ভুলভাবে সেটিংস করা হয়েছে। এমতাবস্থায় সিস্টেম বুট হবার পর যখন Starting Windows মেসেজটি দেখবেন তখনই কী-বোর্ডের এফ৮ চেপে সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু করুন। এর গ্রাফিক্স/ডিসপ্লে প্রোপার্টিজে গিয়ে রিফ্রেশ রেট ঠিক করুন।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার


12. মনিটরে অস্পষ্ট কালার ও প্যাটার্ন-এর সমাধান কি?
💻 সমাধান: যদি মনিটরে অস্পষ্ট কালার ও প্যাটার্ন দেখা যায় এবং চালু করতে গেলে মনিটর কাঁপতে থাকে বা চালুই হয় না তখন বুঝতে হবে একহয় আপনার ডাইরেক্ট এক্স পুরাতন অথবা গ্রাফিক্স কার্ডের লেটেস্ট ড্রাইভার নেই। তাই সবসময় লেটেস্ট ডাইরেক্ট এক্স ব্যবহার করবেন ও গ্রাফিক্স কার্ড ড্রাইভার আপডেটেড রাখবেন। এরপরও সমস্যা থাকলে বুঝতে হবে আপনার ভিডিও কার্ড ও উইন্ডোজের মধ্যে কম্পাটিবিলিটিতে সমস্যা আছে। এমতাবস্থায় অভিজ্ঞ কাউকে দেখান অথবা বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার


13. সিডি ড্রাইভ থেকে সিডি ঠিকমতো বের হয় না
💻 সমাধান: সিডি যদি ড্রাইভের Eject বাটন চাপার পরও বের না হয় তখন বুঝতে হবে সিডিটি এখনও রান করছে। তাই অপেক্ষা করুন। তবে নিয়মিত এই সমস্যাটি হলে বুঝতে হবে সিডি ড্রাইভের মেকানিজমে সমস্যা। বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার


14. প্রসেসর থার্মাল ট্রিপ ওয়ার্নিং
💻 সমাধান: আপনার পিসির প্রসেসরের ফ্যানে খুব বেশি ধুলো জমে গেলে তা পরিস্কার করুন। তাতেই কাজ না হলে হিট সিংক পেস্ট নতুন করে লাগান। আশা করি ঠিক হয়ে যাবে। সবার আগে প্রসেসরের ফ্যান শক্তভাবে প্রসেসরের উপর লাগানো আছে কিনা তা দেখে নিন।
সমস্যার ধরণ: মাদারবোর্ড, প্রসেসর


15. পিসি টু পিসি কথা বলার সহজ উপায় কি?
💻 সমাধান: আপনিতো খুব সহজেই গুগল,ইয়াহু এবং স্কাইপে ব্যবহার করেই ভয়েস চ্যাট করতে পারেন নেটে। পিসি-পিসি কথা বলার জন্য এর চেয়ে সহজ কিছু হতে পারে না। মেসেঞ্জারের ভেতর অপশন থেকেই খুব সহজেই মাইক্রোফোন সেট করে নিতে পারেন। এর জন্য ওয়েবক্যামের কোনো প্রয়োজন নেই।
সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট


16. ইউএসবি ক্যাবল দিয়ে ডাটা ট্রান্সফার করতে চাই
💻 সমাধান: দুঃখিত, কোনোভাবেই এভাবে ডাটা ট্রান্সফার করা সম্ভব না।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার


17. উইন্ডোজের প্যারেন্টাল কন্ট্রোল কি?
💻 সমাধান: প্যারেন্টাল কন্ট্রোলের মাধ্যমে আপনি পিসিতে আওন্য আরেকজন ইউজারের যাবতীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। অন্য নতুন একটি ইউজার একাউন্ট তৈরির মাধ্যমে আপনি সে কতক্ষণ পিসি চালাতে পারবে, কি কি কাজ করতে পারবে, কোন কোন প্রোগ্রাম/গেমস চালাতে পারবেন সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম


18. উইন্ডোজ ৭ রেডিবুষ্ট কি?
💻 সমাধান: যাদের পিসিতে র‍্যাম কম আছে তারা চাইলে উইন্ডোজের রেডিবুস্ট ফিচার ব্যবহার করে বাড়তি র‍্যামের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে পারবেন। কম্পিউটার দুই ধরণের মেমোরি ব্যবহার করে চলার সময়। একটা হচ্ছে হার্ডডিস্ক আরেকটা র‍্যাম। দুইটার পার্থক্য হচ্ছে র‍্যাম শুধু কম্পিউটার চলার সময় তথ্য জমা রাখতে পারে,পাওয়ার চলে গেলে সব তথ্য মুছে যায় কিন্তু হার্ডডিস্কের ক্ষেত্রে তা হয় না। কিন্তু র‍্যাম হার্ডডিস্ক অপেক্ষা অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করতে পারে বলে কম্পিউটার কাজ করার সময় র‍্যামের মেমোরিই ব্যবহার করে।
উইন্ডোজ সেভেনে আপনি চাইলে আপনার পেনড্রাইভকেও র‍্যামের মেমোরির মতো ব্যবহার করে পিসির সার্বিক পারফরম্যান্সে উন্নতি ঘটাতে পারবেন। অবশ্য ভিসতাতেও এটা করা সম্ভব।
🎯 এজন্য আপনার পেনড্রাইভটি ইউএসবি পোর্টে লাগান। কমপক্ষে ৪ গিগাবাইট মেমোরি বিশিষ্ট র‍্যাম একাজে ব্যবহার করাটাই ভাল।
🎯 পেনড্রাইভে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান। উপরের রেডিবুষ্ট ট্যাবে ক্লিক করুন।
🎯 প্রথমেই তিনটি অপশন দেখবেন। প্রথমটির মানে তো বুঝতেই পারছেন,নেতিবাচক। পরেরটি সিলেক্ট করার অর্থ ডিভাইসটির পুরোটাই তথা সম্পূর্ণ মেমোরি রেডিবুষ্ট ব্যবহার করবে। তবে ৩ নাম্বারটি নির্বাচন করাই হবে বুদ্ধিমানের মতো কাজ।এটি দিয়ে আপনি আপনার ইচ্ছেমতো মেমোরি উইন্ডোজকে ব্যবহারের জন্য দিতে পারবেন। তবে উইন্ডোজ নিজেই একটা এমাউন্ট রেকমেন্ড কররে আপনাকে।
এখন ওকে দিলেই রেডিবুষ্টের খেল শুরু। আপনি চাইলে হাই পারফরম্যান্স গেম খেলার সময় এই অপশন দরকারমতো ব্যবহার করে পারেন।
সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম


19. সিস্টেম রিস্টোর সেটিংস কনফিগারের উপায়
💻 সমাধান: সিস্টেম রিস্টোর নিঃসন্দেহে উইন্ডোজের অন্যতম সেরা সিস্টেম প্রোটেকশন টুল। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আপনি যদি খুব বেশি সফটওয়ার ইন্সটল বা আনইন্সটল করে থাকেন তাহলে এই সিস্টেম রিস্টোর আপনার পিসিতে কয়েক গিগাবাইট পর্যন্ত স্পেস দখল করে ফেলতে পারে। তাহলে এখন কি করবেন? বলছি শুনুন-
🎯 মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান। বামপাশের মেনু থেক সিস্টেম প্রোটেকশনে যান।
🎯 সিস্টেম প্রোটেকশন ট্যাব থেকে কনফিগারে ক্লিক করুন।
🎯 সিস্টেম রিস্টো্র পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে চাইলে টার্ণ অফে ক্লিক করে এপ্লাই ওকে করুন।
🎯 অথবা সিস্টেম রিস্টোর অন রেখেই ডিস্ক স্পে ইউজেস থেকে ম্যাক্সিমাম ইউজেস ঠিক করে দিন। তাহলেই আর কোন সমস্যা হবে না।
সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম


20. ইউএসবি পপ আপ মেসেজ অফ
💻 সমাধান: যখনি আপনি নতুন কোন ইউএসবি ড্রাইভ পোর্ট-এ লাগান তখনি নোটিফিকেশন এরিয়াতে একটি পপ আপ মেসেজ ভেসে উঠে যে দিস ডিভাইস ক্যান পারফর্ম ফাস্টার- যা কিনা বিরক্তির উদ্রেক করে। এবারে এটিকে বন্ধ করার নিয়ম বলব আপনাদের।
🎯 পপ আপটি উঠলে তাতে ক্লিক করুন। নিচের বক্সটি আনচেক করুন।
সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম


21. উইন্ডোজ ৭ জাম্প লিস্ট কি?
💻 সমাধান: টাস্কবারের জাম্প লিস্ট উইন্ডোজ সেভেনের একটি বড় পরিবর্তন। এর মাধ্যমে টাস্কবারের যেকোন এপ্লিকেশন আইকনে রাইট ক্লিক করেই পূর্ববর্তী ফাইলগুলা সরাসরি ওপেন করা সম্ভব। কিন্তু নিয়মানুযায়ী একটি নির্দিষ্ট(সাধারণত ১০) ফাইলের নামই জাম্প লিস্ট মনে রাখে। ধরুন কোন একটি বিশেষ ফাইল,ফোল্ডার বা ওয়েবপেজ আপনি অহরহই ব্রাউজ করেন। সেক্ষেত্রে জাম্প লিস্টে রাইট ক্লিক করে ফাইলের ডানে পিন আইকনে ক্লিক করলেই ফাইলটি জাম্প লিস্টে সবসময় থাকবে।
আর কারো যদি জাম্প লিস্টে ডাটা সেভ না তাহলে টাস্কবারে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজে গিয়ে স্টার্ট মেনু ট্যাব থেকে প্রাইভেসীতে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন।
সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম


22. যেকোন ফাইল এডমিনিস্ট্রেটর মোডে রান করাবার উপায়
💻 সমাধান: বিভিন্ন ফাইল অনেকসময় রিনেম,কপি বা মুছতে গিয়ে কিছু এরর মেসেজ দেখতে পাই আমরা। এর কারণ হচ্ছে অন্য কোন ফোল্ডার বা ফাইল বা সিস্টেম সেটিংস এর সাথে এর যোগসূত্র রয়েছে তাই আপনি এই ফাইলটি নিয়ে কোন কাজ করতে পারছেন না। সুতরাং এখন যদি কোনভাবে ফাইলটিকে এডমিনিস্ট্রেটর মোডে রান করান যায় তাহলেই কেল্লা হতে। আসুন দেখি কিভাবে তা করবেন।
🎯 স্টার্ট মেনুতে regedit লিখে এন্টার দিয়ে রেজিস্ট্রি এডিটর ওপেন করুন। HKEY_CLASSES_ROOT\WinRAR.ZIP\shell\open\command রেজিস্ট্রি কীতে যান।
🎯 বামপাশের কমান্ড-এ রাইট ক্লিক করে এক্সপোর্টে ক্লিক করুন।
🎯 এবার নোটপ্যাড দিয়ে এক্সপোর্ট করা ফাইলটি ওপেন করুন। ফাইলের open কথাটি মুছে runas লিখে দিন।
🎯 এবার ফাইলে ডাবল ক্লিক করলেই পরিবর্তিত রেজিস্ট্রি ডাটা ইনপুট হয়ে যাবে।
সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম


23. উইন্ডোজ সেভেনে কুইক লঞ্চ বার আনার উপায়
💻 সমাধান: কুইক লঞ্চ উইন্ডোজের একটি জনপ্রিয় ও কার্যকরী ফিচার হওয়া সত্তেও কেন যে মাইক্রোসফট এটিকে সেভেন থেকে বাদ দিল তা তারাই ভাল জানে। কিন্তু এখন আমরা ব্যবহারকারীরা কি করতে পারি? কোনোভাবে কি কুইক লঞ্চকে ফেরত পাওয়া সম্ভব? আসুন তো দেখি একটু চেষ্টা করে-
🎯 টাস্কবারে রাইট ক্লিক করে টুলবারস থেকে নিউ টুলবারে যান।
🎯 এরপর %appdata%\Microsoft\Internet Explorer\Quick Launch লিখাটি লোকেশন বারে লিখে এন্টার চাপুন। সিলেক্ট ফোল্ডার প্রেস করুন।
টাস্কবারে আপনি কুইক লঞ্চের আগমণ দেখতে পাবেন। এখন এটিকে বামে সরিয়ে তারপর তাতে রাইট ক্লিক করে শো টেক্সট এবং শো টাইটেল মুছে দিন। ব্যস হয়ে গেল আপনার উইন্ডোজ সেভেন কুইক লঞ্চ।
সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম


24. ফটোশপ
💻 সমাধান: মোবাইলে তোলা ছবিকে আসলে কোনোভাবেই ডিজিটাল ক্যামেরার মতো পরিস্কার করা সম্ভব না। আপনার মোবাইল এর ক্যামেরা যদি সর্বাধুনিক ৮ মেগাপিক্সেল বা তার বেশি হয় তাহলে তাহলে আপনি কাছাকাছি মানের ছবি আশা করতে পারেন।
যদিও ফটোশপের বিভিন্ন টুল ব্যবহার করে আপনি ছবির মান কিছুটা বাড়াতে পারেন তবুও তা কখনোই ডিজিটাল ক্যামেরার মানের হবে না।
সমস্যার ধরণ: গ্রাফিক্স ও সাউন্ড


25. আমার কম্পিউটার স্লো হয়ে গেছে
💻 সমাধান: কম্পিউটার অনেক কারণেই স্লো হতে পারে। এর মধ্যে আছে-
1.            অতিরিক্ত ধুলা-বালির জন্য কম্পিউটার স্লো হয়ে যেতে পারে। এজন্য মাসে অন্তত একবার হলেও সিপিইউ খুলে এর ধুলাবালি পরিস্কার করা উচিত।
2.            ভাইরাসের কারণে পিসি স্লো হয়ে যেতে পারে। এজন্য নিয়মিত ভাইরাস স্ক্যান করুন।
3.            সি ড্রাইভের জায়গা বেশি ভরে গেলে পিসি স্লো হতে পারে। সি ড্রাইভের অপ্রয়োজনীয় ডাটা অন্য ড্রাইভে রাখুন।
4.            খুব বেশি এপ্লিকেশন ইন্সটল বা আনইন্সটল করলে পিসি ধীরে ধীরে স্লো হয়ে যেতে পারে। এজন্য অযথা যেকোনো সফটওয়ার ইন্সটলেশন থেকে বিরত থাকুন।

সমস্যার ধরণ: কম্পিউটার পরিচালনা


26. ইন্টারনেটের ভাইরাস থেকে বাঁচার উপায়
💻 সমাধান: কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হলে পিসি মাঝে মাঝে হ্যাং করতে পারে, কখনো বা রিস্টার্ট নিতে পারে। আবার হঠাৎ করে অদ্ভুত কোনো মেসেজও আসতে পারে। সর্বোপরি পিসি স্লো হয়ে যাবে।
আপনি আপনার অপারেটিং সিস্টেম কি সেটা লিখেন নি। যদি আপনি উইন্ডোজ় ৭ ব্যবহার করে থাকেন তাহলে মাইক্রোসফটের ফ্রি সিকিউরিটি এসেনশিয়াল যথেষ্ঠ ভালো কাজ করতে সক্ষম। আর এক্সপি কিংবা ভিসতায় আলাদা কোনো এন্টিভাইরাস ব্যবহার করাটাই শ্রেয়। তবে যেটাই ব্যবহার করুন তা নিয়মিত হালনাগাদ করুন। আর ইন্টারনেট না বুঝে যেকোনো সাইটে গিয়েই রেজিস্ট্রেশন করবেন না। তাতে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট
  

postheadericon মাইক্রোসফট এক্সেল এ দক্ষ হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব ই-বুক বা বই ও গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ক শীট (এক্সেল শিখুন নিজে নিজে কোন কোর্স করা লাগবে না)

মাইক্রোসফট  এক্সেল বিস্তারিত ও খুটিনাটি সহ খুব ভলো করে শিখার  জন্য প্রয়োজনীয় বাংলা ও ইংরেজি ই-বুক বা pdf বই + গুরুত্বপূর্ণ এক্সেল ওয়ার্ক শীট।এই বই গুলো ফলো করলেই খুব সহজে ঘরে বসেই এডভান্স লেভেলের মাইক্রোসফট এক্সেল শিখতে পারবেন


মাইক্রোসফট এক্সেল শিখার জন্য ২৬০ পৃষ্ঠার সম্পূর্ণ বাংলা বই বা ই-বুক(pdf বই) (কম্পিউটার, ট্যাব ও স্মার্ট ফোন ভার্সন) প্রতিটি টপিক্স এর সাথে প্রয়োজনীয় ছবি ও উদাহরণ সহ বর্ণনা দেওয়া আছে।

অফিসের ও পার্সোনাল ব্যাবসার হিসাব কষার কাজে মাইক্রোসফট এক্সেল বেশ জনপ্রিয়। যাঁরা কম্পিউটার সম্পর্কে কম জানেন কিংবা মাইক্রোসফট এক্সেল সম্পর্কে ভালো জানেন না, তাঁদের জন্য বইটি খুব কাজের।
এই বইতে এক্সেলের নানা বিষয় খুব সহজ ভাবে ছিত্র ও ইন্ডিকেটর সহ বিস্তারিত বর্নানা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শেখা যাবে এক্সেল শুরু করার বিভিন্ন ধরনের কৌশল, সম্পাদনা করা, চার্ট বা গ্রাফ তৈরি করা, ফরম্যাট করা, ডেটা-সংক্রান্ত নির্দেশ, গাণিতিক কার্যাবলি, ছবি সংযোজন, ওয়ার্কশিট প্রিন্ট করাসহ প্রতিটি সংস্করণ পরিচিতি ইত্যাদি। এ ছাড়া পেজ সেটআপ করা, এক্সেল কাস্টমাইজড সফটওয়্যার সম্পর্কেও ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করা হয়েছে।


এই বই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে অনলাইন লাইভ প্রিভিউ দেখে আসুন তারপর সিদ্ধান্ত নিন ডাউনলোড করবেন কিনা।
অনলাইনে পড়তেঃ
http://www.slideshare.net/tanbircox/ms-excel-bangla-guide-complete-tutorial-with-picture-by-tanbircox


MS Excel Bangla Guide Complete Tutorial With Picture .rar
Size:- 34.47 MB
 ডাউনলোড লিংকঃ (হাইলি কম্প্রেস করা)


মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০১৫

postheadericon স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক সবার জন্য খুভ প্রয়োজনীয় ১৫০ পৃষ্ঠার সম্পূর্ণ বাংলা ই-বুক বা Pdf বই(+ মোবাইল ভার্সন )

“ মানবব্যাধি ও চিকিৎসা সহায়িকা” এখানে ৬০ টি সাধারন রোগ সম্বন্ধে প্রয়োজনীয় সব তথ্য দেওয়া আছে ... এবং প্রত্যেক আলোচিত রোগের প্রাথমিক ধারনা , রোগের কারন সমূহ, উপসর্গ ও লক্ষণ, কি করা উচিত, কিভাবে প্রতিরোধ করবেন, প্রাথমিক চিকিৎসা, আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা, ও কি খাবার খেতে হবে এবং কখন ডাক্তার দেখাবেন ইত্যাদি পয়েন্ট আকারে আলোচনা করা হয়েছে যাতে সহজে আপনি বুঝতে পারেন ...আপনাদের পাড়ার ও বুঝার  সুবিধার কথা মাথায় রেখে রোগগুলোকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে।

এই রকম গোছানো , সহজ ও তথ্য নির্ভর চিকিৎসা বিষয়ক ই-বুক আগে কখনো দেখেছেন বলে মনে হয় না…


এই ই-বুকের সুবিধাঃ  
ক্যাটগরী ভিত্তিক হওয়ায় সহজেই পড়তে পারবেন ও বুঝতে পারবেন।
তাছাড়া এই বইতে বুকমার্ক মেনু ও হাইপারলিঙ্ক মেনু যুক্ত আছে আপনাকে কোন অধ্যায়ে যেতে মাউসের চাকা ঘুরানো লাগবে জাস্ট ওই অধ্যায়ের নামের উপর ক্লিক করলেই হবে ...।
এই ই-বুক সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে ...
আপনার নিজ চোখে অনলাইন লাইভ ভিউ দেখে আসুন। তাহলেই সব বুঝতে পারবেন। তারপর সিদ্বান্ত নিন আপনার মেগাবাইট খরচ করে ডাউনলোড করবেন কিনা ... !!!

ভদ্রতার খাতিরে কিছু কথাঃ 
স্বাস্থ্য মানুষের মৌলিক অধিকার। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে আমাদের দেশের বিপুল জনগোষ্ঠী সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত। চিকিৎসকের তুলনায় জনসংখ্যা অনেক বেশি বলে একজন চিকিৎসকের পক্ষে একই সময়ে অনেক রোগীর সেবা প্রদানও সম্ভব নয়। তাই ছোট ও সাধারন রোগ গুলোর জন্য ডাক্তারের কাছে না গিয়ে একটু সচেতন ভাবে পরিচর্যা করলেই সুস্থ হওয়া যায় … কিন্তু কিভাবে ও কিধরণের পরিচর্যা করবেন তা জানার জন্য আগে আপনাকে জানতে হবে এইটা কি ধরনের সমস্যা … আর এর প্রতিকারের জন্য কি করা উচিত …
তাই বলা হয় "সুস্থ ভাবে বাঁচতে জানতে হবে” আরো বলা হয়  Prevention is better than cure."  অর্থাৎ নিরাময়ের চেয়ে প্রতিকার ভালো। ব্যাক্তি সচেতনতা দিতে পারে নিরোগ শরীর। আর নিরোগ শরীরের জন্য চিকিৎসার কোন প্রয়োজন নেই। আমরা. প্রত্যেকে যদি নিজে কেবলমাত্র নিজের দায়িত্ব নেই তবে রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। কিছু নিয়ম-নীতি মেনে চললে অর্জন হবে সুস্বাস্থ্য, বেচে যাবে বিপুল পরিমাণ চিকিৎসা খাতের খরচ।
বাংলাভাষায় সহজবোধ্য চিকিৎসা বিষয়ক তেমন ই-বুক নেই। এসব বিবেচনা করে রচিত হয়েছে, “A Complete bangla Handbook for Self Diagnosis and Treatment” প্রাথমিক চিকিৎসা সহায়িকা’ নামক গ্রন্থটি। মোট কথা এই বইটা সবার সংরক্ষণে রাখা উচিত … কোন কোন সময় এই ই-বুক অনেক বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা করবে … তাছাড়া বইটি পরিবারে সংগ্রহ করে রাখার মতোই। ধন্যবাদ।

অনলাইনে লাইভ পড়তে বা প্রিভিউ দেখতে চাইলেঃ

http://www.slideshare.net/tanbircox/a-complete-bangla-handbook-for-self-diagnosis-and-treatment



বইয়ের নাম “মানবব্যাধি ও চিকিৎসা সহায়িকা”

A Complete bangla Handbook for Self Diagnosis and Treatment.rar
সাইজঃ ১৪ এমবি
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৫০
টেক্সট ফরম্যাটঃ ইউনিকোড

ডাউনলোড লিঙ্কঃ

বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০১৫

postheadericon বিসিএস, ব্যাংক জব, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ও যে কোনো নিয়োগ পরীক্ষার “ইংরেজি” অংশের জন্য প্রয়োজনীয় বাংলা ই-বুক (pdf বই )

সাম্প্রতিক সময়ের ১০০ ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার ইংরেজি অংশের ২০০০+ ভোকাবুলারির বাংলা অর্থ ও এর ৪ টি সমার্থক  শব্দ নিয়ে ৭০ পৃষ্ঠার বাংলা ই-বুক... ……

Most Important English Words  e-books (pdf) for Bank Exams.

All the words followed by Bangla & English meaning with Synonyms...

পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৭০
সাইজঃ ৮এমবি
এখানে ওয়ার্ড সমূহ ইংরেজি বর্ণ ক্রম অনুযায়ী দেওয়া আছে … ফলে কিছু ওয়ার্ড একাধিক বার করে রিপিট আছে,  যে ওয়ার্ড যত বেশি রিপিট হয়েছে বুঝতে হবে সেটা ততবার ব্যাংক পরীক্ষায় এসেছে … তার মানে সেটা তত বেশি গুরুত্বপূর্ণ … এতে আপনি নিজেই বুঝে যাবেন আপনার কোন ওয়ার্ড ভালো করে মনে রাখতে হবে ...
এবং রিপিট ওয়ার্ড গুলোর সমর্থক শব্দ গুলো ভিন্ন ...
এই ই-বুক পড়লে যে কোন ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায় ৭০% ওয়ার্ড কমন  পাবেন ...কেন তা এই ই-বুক একবার চোখ বুলালেই বুঝতে পারবেন ...


অনলাইনে পড়া বা লাইভ প্রিভিউ দেখার জন্যঃ

http://www.slideshare.net/tanbircox/important-english-words-for-bank-exams





ডাউনলোড লিঙ্কঃ


মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০১৫

postheadericon “ইংলিশ গ্রামার” সহজে বুঝার জন্য প্রয়োজনীয় ১৫ টি সম্পূর্ণ বাংলা ই-বুক (pdf বই) ও লেকচারশিট...

এই বই গুলো এসএসসি , এইচএসসি , ইউনিভার্সিটি ভর্তি , বিসিএস , জব পরীক্ষার্থী ও  যে কোন স্টুডেন্ট জন্য কাজে লাগবে…। ইংলিশ গ্রামার বুঝার ও মনে রাখার জন্য  শর্টকাট টেকনিক , ফ্লো চার্ট ও টেবিল নির্ভর এমন কালার ই-বুক বা বই আশা করি আগে দেখেন নি……… বিশ্বাস না হলে জাস্ট ডাউনলোড করেই এক বার চোখ বুলিয়ে দেখুন … পোস্টের সাথে বইয়ের কিছু স্ক্রীন শর্ট দেওয়া হল দেখে নিন …
সব শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের জন্যই যে অতি প্রয়োজনীয় এই বই গুলো  সেটা নিঃসন্দেহে বলা যায় । ইংলিশ গ্রামার আমাদের সবারই কম বেশি দরকার হয় ।এর জন্য আমারা অনেক বই নেট থেকে ডাউনলোড করি কিন্তু অধিকাংশ বই আমাদের মন মত হয় না । তাই আমি আপনাদের জন্য খুব প্রয়োজনীয় কিছু ইংলিশ গ্রামার এর বাংলা বই নিয়ে আসলাম । আশা করি এই বই গুলো  আপনার মন মত হবে । ডাউনলোড করে একবার চোখ বুলালেই বুঝতে পারবেন...
সেই ছোট বেলা থেকেই আমারা ইংলিশ গ্রামার পড়ছি তারপরও আমাদের কাজে এই বিষয়টি খুভ জটিল মনে হয় … কারণ আমারা পড়ি ঠিকই কিন্তু ক্লিয়ার কনসেপ্ট পাই না … অনেক গুলো নিয়ম পড়ে জগাখিচুড়ী পাকিয়ে ফেলি … ফলে কোন প্রশ্নের উত্তর করার সময় প্রতিনিয়ত কনফিউশনে থাকি … তাই আমারা ইংরেজি নিয়ে এতো বেশি চিন্তিত থাকি  তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। আর সেই চিন্তাটাকে দূর করার জন্য আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা-
আপনারা যারা ইংরেজি গ্রামার নিয়ে চিন্তা করেন তাদের আর চিন্তা করতে হবে না, আশা করি এই বইগুলো আপনাদের খুভ সহজে ইংরেজি গ্রামার শিখতে সাহায্য করবে। আশা করি ইংলিশ গ্রামার বুঝার জন্য কোন কোচিং করা লাগবে না … জাস্ট এই বই গুলো একাবার মন দিয়ে পরলেই হবে …
“এখানে ইংলিশ গ্রামারের এক্সক্লুসিভ অনেক নিয়ম ও অনেক শর্টকাট টেকনিক দেওয়া আছে … এই ই-বুক  শুধু এইচএসসি  বা এসএসসি স্টুডেন্ট দের জন্য নয় ,  বিসিএস , জব পরীক্ষার্থী ও  যে কোন স্টুডেন্ট জন্য কাজে লাগবে...”
আপনার কাজে না লাগলেও…. আপনার বন্ধু অথবা ছোট ভাইয়ের ১০০% কাজে লাগবে…!সো ডাউনলোড করে রেখে দিন কাজে লাগ
বই গুলোর নাম ও ডাউনলোড লিংক দেওয়া আছে কষ্ট করে নাম ও অনলাইন প্রিভিউ দেখে বুঝে নিন ডাউনলোড করবেন কিনা ...।

বইয়ের নামঃ Exclusive English Grammar by tanbircox

কি কি ব্যাতিক্রম পাবেন এই গ্রামার বইতেঃ
* প্রতিটি টপিক্স ফ্লো চার্ট দিয়ে বুঝানো হয়েছে ………
* প্রতিটি টপিক্স টেবিল দিয়ে সাজানো হয়েছে … যাতে এক বার দেখলেই সম্পূর্ণ ধরনা চলে আসে
* কোন আজাইরা কথা নাই স্রেফ নিয়ম এর ব্যাখ্যা এবং বাক্যের কংকাল গঠন …
* প্রত্যেকটা নিয়মের সাথে অনেক উদাহরণ বাংলা অর্থ সহ দেওয়া আছে …
* কিছু জটিল বিষয় কালার ছবি মাধ্যমে ইন্ডিকেটর দিয়ে এক পেইজে সব নিয়মের মধ্যকার জটিলতা দূর করা হয়েছে …
* প্রতিটি টপিক্স কে ব্যসিক লেভেল ও এডভান্স লেভেল এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে …
অনলাইনে লাইভ পড়তে বা প্রিভিউ দেখতে চাইলেঃ 
http://www.slideshare.net/tanbircox/exclusive-english-grammar-by-tanbircox

মোট পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২০৫
মোট সাইজঃ ১১ এমবি
ডাউনলোড লিঙ্কঃ  






প্রয়োজনীয় সব বাংলা 🕮ই-বুক

প্রয়োজনীয় সব বাংলা 🕮ই-বুক বা বই, 💻সফটওয়্যার ও 🎬টিটোরিয়াল কালেকশ সংগ্রহ করতে!
আপনারা সামান্য একটু সময় ব্যয় করে ,শুধু এক বার নিচের লিংকে ক্লিক করে এই কালেকশ গুলোর মধ্যে অবস্থিত বই ও সফটওয়্যার এর নাম সমূহের উপর চোখ বুলিয়ে 👓👀 নিন।”তাহলেই বুঝে যবেন কেন এই ফাইল গুলো আপনার কালেকশনে রাখা দরকার! আপনার আজকের এই ব্যয়কৃত সামান্য সময় ভবিষ্যতে আপনার অনেক কষ্ট লাঘব করবে ও আপনার অনেকে সময় বাঁচিয়ে দিবে।
বিশ্বাস করুন আর নাই করুনঃ-“বিভিন্ন ক্যাটাগরির এই কালেকশ গুলোর মধ্যে দেওয়া বাংলা ও ইংলিশ বই, সফটওয়্যার ও টিউটোরিয়াল এর কালেকশন দেখে আপনি হতবাক হয়ে যাবেন !”
আপনি যদি বর্তমানে কম্পিউটার ব্যবহার করেন ও ভবিষ্যতেও কম্পিউটার সাথে যুক্ত থাকবেন তাহলে এই ডিভিডি গুলো আপনার অবশ্যই আপনার কালেকশনে রাখা দরকার !
মোট কথা আপনাদের কম্পিউটারের বিভিন্ন সমস্যার চিরস্থায়ী সমাধান ও কম্পিউটারের জন্য প্রয়োজনীয় সব বই, সফটওয়্যার ও টিউটোরিয়াল এর সার্বিক সাপোর্ট দিতে আমার খুব কার্যকর একটা উদ্যোগ হচ্ছে এই ডিভিডি প্যাকেজ গুলো।আশা করি এই কালেকশন গুলো শিক্ষার্থীদের সকল জ্ঞানের চাহিদা পূরন করবে…!
আমার আসল উদ্দেশ্য হল, কম্পিউটার ও মোবাইল এইডেড লার্নিং ডিভিডি কার্যক্রম এর মাধ্যমে সফটওয়্যার, টিটোরিয়াল ও এইচডি কালার পিকচার নির্ভর ই-বু বা বইয়ের সহযোগিতায় শিক্ষাগ্রহন প্রক্রিয়াকে খুব সহজ ও আনন্দদায়ক করা।
এবং সকল স্টুডেন্ট ও টিচারকে কম্পিউটার ও মোবাইল প্রযুক্তির সম্পৃক্তকরণ এবং সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রযুক্তিবান্ধব করা এবং একটা বিষয় ক্লিয়ার করে বুঝিয়ে দেওয়া যে প্রযুক্তি শিক্ষাকে আনন্দদায়ক করে এবং জ্ঞান অর্জনের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি করে…
🎯 কালেকশ সম্পর্কে বিস্তারিত 👀জানতেঃ নিচের লিংকে 👆ক্লিক করুন
www.facebook.com/tanbir.ebooks/posts/777596339006593

এখানে👆 ক্লিক করুন

🎯 সুন্দর ভাবে বুঝার জন্য নিচের লিঙ্ক থেকে ই-বুক্টি ডাউনলোড করে নিন...
📥 ডাউনলোড 👆 লিংকঃ এখানে👆ক্লিক

আপডেট পেতে

আপডেট ই-বুক

Recent Posts

মন্তব্য দিন

আমার সম্পর্কে !