ভিজিটর সংখ্যা

জনপ্রিয়

T@NB!R ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Blogger দ্বারা পরিচালিত.

Social

Random Post

নাম

your name

ইমেল *

Your Email

বার্তা *

your message

Pages

Like Us On Facebook

Popular Posts

বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

postheadericon হ্যাকিং শিখার জন্য কিছু বাংলা ই-বুক.........

হ্যাকিং শিখুন জানার জন্য ...নিজেকে ব্যক্তিগত আইডি গুলোকে অন্যের হাত রক্ষার জন্য সবাই কে হ্যাকিং সম্পর্কে অবশ্যই জানা উচিত ......
অন্যের ক্ষতি করার জন্য হাকিং না শিখাই ভালো ...
শুধু শুধু নিজের নামের জন্য অন্যের ক্ষতি করে কি লাভ...
আপনার কাছে অন্যের আইডি হ্যাক করা স্রেফ মজা কিন্তু যার আইডি হ্যাক করছেন তার জন্য সেইটা অভিশাপ হতে পারে ...
যার আইডি হ্যাক করছেন একাবার তার অবস্থানে এসে তার মানসিক অবস্থা চিন্তা করে দেখুন .........
আমি হ্যাকিং সম্পর্কে এই বাংলা বইগুলো এখানে শেয়ার করছি শুধু সতর্ক হবার জন্য ...যাতে আপনার গুরুত্বপূর্ণ আইডি অন্যের আক্রমন থেকে রক্ষার জন্য  ...
এই বইগুল পড়লে আপনি হয়তো বুঝতে পারবেন আপনার নিরাপত্তায় কোথায় কোথায় ল্যাকিংস আছে ...




✩✫✬✭★✩✫✬✭★✩✫✬✭★✩✫✬✭★
এখানে শুধু মিডিয়াফায়ার ডাউনলোড লিংক দেওয়া আছে ……।এই বই গুলর ড্রপবক্স ডাউনলোড লিংক  ও অনলাইনে লাইভ বা সরাসরি অনলাইনে ই-বুক পড়তে চাইলে নিচের  লিংকে ক্লিক করুন ............




✩✫✬✭★✩✫✬✭★✩✫✬✭★✩✫✬✭★
ই-বুক পাড়ার জন্য প্রয়োজনীয় টিপস ও সবচেয়ে ভালো ই-বুক রিড়ার এবং rar ফাইল ওপেন করার জন্য সব সফটওয়্যার পোস্টের নিচের দিকে দেওয়া আছে………
✩✫✬✭★✩✫✬✭★✩✫✬✭★✩✫✬✭★


সংবিধিবদ্ধ সতর্কি করণঃ দয়া করিয়া ্যাকিং এর কোন বিষয়ের উপর কোন প্রশ্ন করিয়া আমাকে লজ্জিত করবেন না   ... আমি হাকিং ও অনলাইন আয়ের উপর কোন প্রশ্ন করলে খুব বিব্রত হই ... তার জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থি ...
আশা করি আপনারা এই বিষয়ে  কোন প্রশ্ন বা মন্তব্য করিয়া ক্ষমা চাইতে বাধ্য করিবেন না ...



ভাই যাদের জানার আগ্রহ আছে তারাই শুধু এই বই গুলো  ডাউনলোড করুন ...
তাছাড়া ই-বুক কখনো অকাজে যায় না ...কোন না কোন সময় কাজে লাগে ...
তাই সংগ্রহে রেখে দিন কখন কার কাজে লেগে যাবে বলা তো যায় না ...
ভাই কত আজাইরা ফাইলই তো প্রতিদিন ডাউনলোড করছেন ... কয়টা কাজে লাগে চিন্তা করুন তো ...
কিন্তু ই-বুক আপনার সারা জীবন কাজে লাগবে .........

postheadericon প্রয়োজনীয় সব ইন্টারনেট টিপস ও ওয়েব সাইট লিঙ্কের বাংলা বই-- কেন শুধু শুধু গুগলে সার্চ দিয়ে সময় নষ্ট করবেন... যে কোন একটা ডাউনলোড করে দেখুন…

আমারা যারা নেট ব্যাবহার করি তাদের সবাই কোন একটি ফাইল বা ডকুমেন্ট সংগ্রহের জন্য গুগল এ সার্চ দিয়ে বিভিন্ন ওয়েব সাইট ঘুরে ফাইলটি সংগ্রহ করতে হয়।আবার অনেক সময় দেখা যায় যে , আনেক খুজা খুঁজির পরও কাঙ্ক্ষিত ফাইল টি পাওয়া যায় না …।। এই জন্য বাংলাদেশের যতগুলো ওয়েব সাইট আছে তা সংগ্রহ করে বাংলা ই-বুক আকারে প্রকাশ করছি…।। আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে …।
এখানে দেওয়া লিঙ্ক গুলো “অ্যাডোব রিডারে” থেকে সরাসরি আপনার ব্রাউজার এ কাজ করবে…
নোটঃ অনেকে মনে করতে পারেন কোন কিছু দরকার হলে  গুগলে সার্চ দিলেই তো হয় ...গুগলই আমাকে সাইট খুজে দিবে কেন এই বই গুলো ডাউনলোড করব ...
তাদের জন্য আমার উত্তর......... 
গুগল উপকার অস্বীকার করার দুঃসাহস আমার তথা কারোই নেই ... নিচের বইগুলতে দেওয়া লিঙ্ক গুলো গুগলের সাহায্যে নেওয়া ... কিন্তু এর জন্য অনেক সময় নষ্ট করতে হয়েছে ...
কারন গুগল  হল একটা নেশা ...
কারন এতে আমরা যত রেজাল্ট পাই ততই আমাদের চাহিদা বাড়তে থাকে .......... সব সময় মনে হয় এর চাইতে ভাল কিছু মনে হয় সামনের লিংকে পাব ........। যার জন্য আমরা যেটা খুজতে যাই সেটার ভুলে গিয়ে নতুন কিছু আগ্রহ জমে উঠে .। এটা অবশ্যই ভাল তবে সবসময় নয়....... এই ঘটনা আমার সাথে প্রায় হয়।
  তাই  আমি মানুষের সময় অপচয় রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় সব সাইট একসাথে সংকলনের চেষ্টা করেছি
আমি বাংলাদেশের মানুষকে তার দেশের সব ওয়েব সাইট গুলোর সাথে পরিচয় করানোর চেষ্টা করছি।  

✩✫✬✭★✩✫✬✭★✩✫✬✭★✩✫✬✭★
ই-বুক পাড়ার জন্য প্রয়োজনীয় টিপস ও সবচেয়ে ভালো ই-বুক রিড়ার এবং rar ফাইল ওপেন করার জন্য সব সফটওয়্যার পোস্টের নিচের দিকে দেওয়া আছে………
✩✫✬✭★✩✫✬✭★✩✫✬✭★✩✫✬✭★



শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

postheadericon প্রোগ্রামিং শেখার জন্য যাবতীয় বাংলা টিউটোরিয়াল সাইট , ই-বুক ও চিট শীট .....................



আপনি যে বিষয়েই ক্যারিয়ার গড়তে চান সেখানে সবচেয়ে যেটা বেশী জরুরী সেটা হল দক্ষতা । আর দক্ষতাটা আমাদের নিজেদেরই অর্জন করতে হয় । শিক্ষক শিক্ষিকা, বই পুস্তক থেকে আমরা গাইডলাইন পেতে পারি, কিন্তু জিনিসটা শিখতে হয় কিন্তু নিজ আগ্রহে । তেমনি করে প্রোগ্রামিং এর বেলায়ও সফল হতে চাইলে দক্ষতার কোন বিকল্প নেই । আর সেটা করতে হবে নিজেকেই । আপনি কোন বিষয়ে পড়াশুনা করেছেন এর আগে সেটার উপর নির্ভর করে আপনার শেখার পথটা কম বেশী সহজ কিংবা কষ্টসাধ্য হতে পারে ……………………
আপনি কোন বিষয়ে পড়েছেন, সেটা আসলেই কোন ব্যাপার না যদি আপনার আগ্রহ থাকে প্রোগ্রামিং শেখার জন্য । বরং প্রোগ্রামিং এর বাইরে আপনার জ্ঞান থাকলে, সম্ভাবনা থাকে আপনি আপনার প্রোগ্রামিং দক্ষতার সাথে সেই জ্ঞানের সমন্বয়ে তৈরি করতে পারবেন চমকপ্রদ কিছু যেটা শুধু প্রোগ্রামিং জানলে সম্ভব হতো না । পড়ার এবং জানার কোন বিকল্প নেই । বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পড়ুন, জানুন, শিখুন, বুঝুন এবং সেটার সাথে আপনার প্রোগ্রামিং জ্ঞান এর মিশ্রন ঘটান বাস্তবের নানা সমস্যার সমাধান করুন, তাহলেই আপনার প্রোগ্রামিং শেখা স্বার্থক হবে …………………
“ উপরের এই লেখাটা cpbook.subeen.com থেকে সংগ্রহীত ”

এতগুলো বই যাদের ডাউনলোড করতে যাদের বিরক্তিকর মনে হয় ...
অথবা নেট স্পিড ও প্যাকেজে এমবি কমের জন্য ডাউনলোড করতে পারছেন না তারা নিচের লিংকে দেখুন ...
http://tanbircox.blogspot.com/2013/07/office-documents-soft-dvd.html

▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀
ই-বুক পাড়ার জন্য প্রয়োজনীয় টিপস ও সবচেয়ে ভালো ই-বুক রিড়ার এবং rar ফাইল ওপেন করার জন্য সব সফটওয়্যার পোস্টের নিচের দিকে দেওয়া আছে.........
সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

postheadericon বাসায় বসে মাইক্রোসফট আফিস(MicroSoft Office) সম্পর্কে দক্ষতা অর্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ন সব বাংলা ও ইংলিশ ই-বুক বা পিডিএফ বই ও চিট শিট .....+ মোবাইল স্ক্রীন ভার্সন .

বর্তমান যুগে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এমনই একটি সফটওয়্যার যেটির ব্যবহার জানা সবার জন্যই প্রয়োজনীয়।মাইক্রোসফট ওয়ার্ড হচ্ছে সারা বিশ্বব্যাপি ব্যবহিত একটি বহুল আলোচিত এবং জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম। এ প্রোগ্রামটি রচনা করেছে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন। ডেস্কটপ এ প্রকাশনা উপযোগী কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য মাইক্রোসফট ওয়ার্ড প্রোগ্রামটি ইতোমধ্যে কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কাছে কিংবদন্তী প্রোগ্রামে পরিনত হয়েছে।চিঠিপএ লেখা, অফিসিয়াল কাজে, দলিল-দস্তাবেজের কাজ প্রকাশনা সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ কর্মের জন্য আজকাল কম্পিউটার প্রোসেসিং প্রোগ্রাম মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ব্যবহার কার হয়। গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস ভিত্তিক এ প্রোগ্রামে সুদৃশ্য ফিচার ও উইজার্ড সমূহ ব্যবহার করে সহজেই পছন্দ মত ডেক্সটপ কার্যাবলী সম্পাদন করা যায়।

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ,এক্সেল ও অ্যাক্সেস সম্পর্কে ভাল ভাবে জানার জন্য নিচের বাংলা বই গুলো কিছু মেগাবাইট খরচ করে নামিয়ে ফেলুন …।আর দেখুন কি কাজের বই দিলাম.। এবং মনযোগ সহকারে বইগুলো পড়ুন তাহলে আশা করি খুব অল্পসময়ে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর বিভিন্ন প্রোগ্রাম সম্পর্কে দক্ষ হয়ে উঠতে পারবেন  ।মোট কথা বাসায় বসে বসে আপনি ওয়ার্ড , এক্সেল ও পাওয়ার পয়েন্ট  শিখতে পারবেন...আপনাকে আর টাকা খরচ করে মাইক্রোসফট আফিস শিখতে যেতে হবে না …কারন এই বইগুলতে স্টেপ বাই স্টেপ খুব সুন্দরভাবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের প্রতিটি বিষয়
ছবি সহকারে খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ......তাছাড়া এই বই গুলো ইউনিকোড ফরম্যাটে করা যা mobile ও computer এ খুব সুন্দর ও সহজ ভাবে পড়তে পারবেন.........। তাহলে আর দেরি না করে আজই ফ্রী ডাউনলোড করে পড়া শুরু করে দেন ।


নিচের বইগুলো ডাউনলোড করার আগে এই বই গুলো কোয়ালিটি  সম্পর্কে সামান্য ধারনা দেওয়ার জন্য নিচে একটি বইয়ের ডেমো দেওয়া হল ...
সবগুলো বই অনলাইনে লাইভ পরতে চাইলে নিচের লিংকে ক্লিক করুন
http://www.slideshare.net/tanbircox/tag/microsoft-office





নিচে সব বইয়ের download লিংক দেওয়া আছে ...
 


রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

postheadericon ক্যারিয়ার গড়ুন আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং...এ

বাংলাদেশের জনসংখ্যার বড় অংশই এখন তরুণ। আর তরুণরাই পারে একটি দেশের অর্থনীতির গতি পরিবর্তন করতে। মোট জনসংখ্যার ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী মানুষের সংখ্যা এখন বেশি, যা জনসংখ্যার প্রায় ৩২ শতাংশ (উৎসঃ CIA - The World Factbook)। ২০১৫ - ২০১৬ সালের মধ্যে এটা ৪০ শতাংশে উন্নীত হবে। কোনো দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা যখন আনুপাতিক হারে সবচেয়ে বেশি থাকে তখন তাকে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড (Demographic Dividend) বা ডেমোগ্রাফিক বোনাস (Demographic Bonus) বলে। এ অবস্থাকে আবার উইন্ডোজ অব অপরচুনিটিও (Windows of Opportunity) বলা হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে কোনো দেশের উন্নয়নের সম্ভাবনাময় দুয়ার খুলে যেতে পারে। আর যদি সঠিক সময়ে তাদের সঠিকভাবে কাজে লাগানো না যায় তাহলে তা যেকোনো দেশের জন্য বোঝা ও মারাত্মক বিপদের কারণ হবে। বাংলাদেশের এই শিক্ষিত বিপুল কর্মক্ষম জনগণকে অনলাইনে আউটসোর্সিং কাজের যোগ্য হিসেবে অথবা ফ্রিল্যান্সার হিসাবে গড়ে তোলা অন্যতম ফলপ্রসু সমাধান হতে পারে।
(freelancing)
আউটসোর্সিং (Outsourcing) হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে বাইরের কোন প্রতিষ্ঠানের বা ব্যক্তির সাহায্যে করিয়ে নেয়া। এই কাজ হতে পারে কোনো প্রকল্পের অংশ বিশেষ অথবা সমগ্র প্রকল্প। ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) হচ্ছে যখন কোন ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে চুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাজ করে থাকেন। একজন ফ্রিল্যান্সারের যেরকম রয়েছে কাজের ধরণ নির্ধারণের স্বাধীনতা, তেমনি রয়েছে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার স্বাধীনতা। গতানুগতিক অফিস সময়ের মধ্যে ফ্রিল্যান্সার স্বীমাবদ্ধ নয়। কোম্পানিগুলো সাধারণত আউটসোর্সিং করে উৎপাদন খরচ কমানোর জন্য। অনেক সময় পর্যাপ্ত সময়, শ্রম অথবা প্রযুক্তির অভাবেও আউটসোর্সিং করা হয়। মূলত তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কাজগুলো (যেমন - Web Development, Software Development, Writing & Content, Design, Multimedia & Architecture, SEO/SEM/SMM, Data Entry ইত্যাদি) আউটসোর্সিং করা হয়। যেসকল দেশ এই ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভারত, ইউক্রেন, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়া, চীন, ফিলিপিন, রাশিয়া, পাকিস্তান, পানামা, নেপাল, বাংলাদেশ, রোমানিয়া, মালয়েশিয়া, মিশর এবং আরো অনেক দেশ।

ফ্রিল্যান্সিং-এর ইতিহাস

বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং-এর ইতিহাস খুব বেশি পুরানো নয়। গত তিন-চার বছরে এই পেশা বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য দেশে ফ্রিল্যান্সিং-এর ধারণাটি আগে থেকেই ছিল। এর সুচনা হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। “GURU” –সর্বপ্রথম ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস যা ১৯৯৮ সালে SOFTmoonlighter.com হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতায় পরে Elance.com, RentAcoder.com, Odesk.com, GetAFreelancer.com, Freelancer.com, Limeexchange.com সহ আরো অনেক মার্কেটপ্লেস প্রতিষ্ঠিত হয়। ইন্টারনেটের বিস্তৃতির কারনে বাংলাদেশেও ফ্রিল্যান্সিং দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

ফ্রিল্যান্সিং কাজ যেভাবে হয়

যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি (Employer) তার কোনো কাজ আউটসোর্সিং করাতে চান, তাহলে তিনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে এসে সেই কাজটির জন্য ফ্রিল্যান্সারদের কাছ থেকে বিড (Bid) আমন্ত্রন করেন। একটি বিডের মধ্যে একজন ফ্রিল্যান্সার উল্লেখ করেন যে তিনি কত দিনের মধ্যে কাজটি শেষ করতে পারবেন, এজন্য তার পারিশ্রমিক কত হবে। এভাবে একটি কাজের যে কয়টি বিড হয় সেগুলোর মধ্য থেকে সবচেয়ে যোগ্য এবং সুবিধাজনক বিডটিকে Employer নির্বাচন করেন। এরপর সেই ফ্রিল্যান্সারের সাথে তিনি যোগাযোগ করেন এবং কাজের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। কাজ শেষে বিভিন্ন পদ্ধতিতে পে-মেন্ট করা হয় যা “টাকা তুলবেন কিভাবে” অংশে বিস্তারিত ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

ফ্রিল্যান্সিং করার পূর্বশর্ত

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য কোনো একটি বিষয়ে দক্ষতা থাকা জরুরী। তার সাথে আপনার ইন্টারনেট ব্যবহারের উপরেও ভালো জ্ঞান থাকতে হবে। তবে আপনার যদি কম্পিউটারের একাধিক বিষয়ে দক্ষতা থাকে, তাহলে স্বভাবতই আপনি বড় পরিধিতে কাজ করতে পারবেন। আপনার ক্লায়েন্টদের বেশিরভাগই হবেন অবাঙ্গালী, সুতরাং তাদের সাথে আপনার ইংরেজিতে যোগাযোগ করতে হবে। তারা Skype বা অন্য মেসেঞ্জার সার্ভিসের মাধ্যমে আপনার ইন্টারভিউ নিতে পারেন। তাই ইংরেজির ওপর ভালো দখল থাকা খুবই গুরূত্বপূর্ণ।

কিভাবে শুরু করবেন

একজন ক্লায়েন্ট আপনাকে তখনই কাজ দেবেন, যখন তিনি আপনার প্রোফাইল দেখে সন্তুষ্ট হবেন, এবং আপনি যেই অ্যামাউন্ট বিড করবেন তা তার মনঃপুত হবে। সুতরাং সবার প্রথমেই আপনাকে এমন একটি সুন্দর ও গোছানো প্রোফাইল বানাতে হবে যা দেখে যেকোন ব্যক্তি আপনার সাথে কাজ করতে আগ্রহী হবেন। একই সাথে আপনি বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস ঘুরে দেখুন, সেগুলোর চাহিদা সম্পর্কে জানুন এবং আপনার প্রোফাইল সেই অনুযায়ী গড়ে তুলুন।
একটি ভালো প্রোফাইল বানাতে হলে আপনাকে যা করতে হবে:

postheadericon বাচ্চাদের জন্য শিক্ষামূলক সব বই ও সফটওয়্যার (এনসাইক্লোপিডিয়া ,পিকচার ডিকশনারি ও সফটওয়্যার) ...আমার কালেকশন মানে বুঝেন তো !

বর্তমান এই কম্পিউটারের ও মোবাইল এর যুগে কেউ এখন কাগজের বই খুব একটা পড়তে চায় না , তাই যুগের সাথে তাল মেলাতে আমাদেরকে এখন -বুক পড়তে হবে। আর ই-বুক কখনো অকাজে যায় না ...কোন না কোন সময় কাজে লাগে ...তাই সংগ্রহে রেখে দিন কখন কার কাজে লেগে যাবে বলা তো যায় না ...
ভাই কত আজাইরা ফাইলই তো প্রতিদিন ডাউনলোড করছেন ...
কয়টা কাজে লাগে চিন্তা করুন তো ...
কিন্তু ই-বুক আপনার সারা জীবন কাজে লাগবে আপনার না লাগলেও আপনার বন্ধু বা ছোট ভাই ও বোনের ও কাজে লাগতে পারে .........
তাছাড়া বইগুলো আপনি সম্পূর্ণ ফ্রি তে পাচ্ছেন তাহলে ডাউনলোড করতে সমস্যা কি ?
তাছাড়া এখানে দেওয়া প্রত্যেকেটা বই  নীলক্ষেত (অন্য কোথাও পাবেন বলে মনে হয় না ) থেকে কিনতে গেলেও আপনাকে মিনিমাম ৫০০-১০০০ টাকা খরচ করতে হবে...
তাও এই বইয়ের অরজিনাল কপি আপনাকে এডভান্স দিয়ে আনাতে হবে ...।

অনেক আজাইরা কথা হল এবার মূল লেখায় ফিরে আসিঃ

আমি বইগুলো সম্পর্কে খুব একটা বিস্তারিত বলব না ... আমি প্রতিটা বইয়ের পৃষ্ঠার কিছু ছবি দিচ্ছি ...
আপনার এবার নিজেরাই বুঝে নেন আপনার দরকার কিনা ...


চিলড্রেন এনসাইক্লোপিডিয়াঃ  

বাচ্চাদের জন্য খুব সুন্দর ও অতি প্রয়োজনীয় একটি এনসাইক্লোপিডিয়া ...
এই বইতে সবকিছু 3D ছবি সহ ব্যাখ্যা করা হয়েছে ...
৩০০ পৃষ্ঠার এই বইটিতে আপনার সন্তানের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই পাবেন ...
এই বইতে খুব সহজ ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে ...
এখানে ছবিতে এই বইয়ের একটা পেইজের ড়েমো দেওয়া আছে ...

প্রয়োজনীয় সব বাংলা 🕮ই-বুক

প্রয়োজনীয় সব বাংলা 🕮ই-বুক বা বই, 💻সফটওয়্যার ও 🎬টিটোরিয়াল কালেকশ সংগ্রহ করতে!
আপনারা সামান্য একটু সময় ব্যয় করে ,শুধু এক বার নিচের লিংকে ক্লিক করে এই কালেকশ গুলোর মধ্যে অবস্থিত বই ও সফটওয়্যার এর নাম সমূহের উপর চোখ বুলিয়ে 👓👀 নিন।”তাহলেই বুঝে যবেন কেন এই ফাইল গুলো আপনার কালেকশনে রাখা দরকার! আপনার আজকের এই ব্যয়কৃত সামান্য সময় ভবিষ্যতে আপনার অনেক কষ্ট লাঘব করবে ও আপনার অনেকে সময় বাঁচিয়ে দিবে।
বিশ্বাস করুন আর নাই করুনঃ-“বিভিন্ন ক্যাটাগরির এই কালেকশ গুলোর মধ্যে দেওয়া বাংলা ও ইংলিশ বই, সফটওয়্যার ও টিউটোরিয়াল এর কালেকশন দেখে আপনি হতবাক হয়ে যাবেন !”
আপনি যদি বর্তমানে কম্পিউটার ব্যবহার করেন ও ভবিষ্যতেও কম্পিউটার সাথে যুক্ত থাকবেন তাহলে এই ডিভিডি গুলো আপনার অবশ্যই আপনার কালেকশনে রাখা দরকার !
মোট কথা আপনাদের কম্পিউটারের বিভিন্ন সমস্যার চিরস্থায়ী সমাধান ও কম্পিউটারের জন্য প্রয়োজনীয় সব বই, সফটওয়্যার ও টিউটোরিয়াল এর সার্বিক সাপোর্ট দিতে আমার খুব কার্যকর একটা উদ্যোগ হচ্ছে এই ডিভিডি প্যাকেজ গুলো।আশা করি এই কালেকশন গুলো শিক্ষার্থীদের সকল জ্ঞানের চাহিদা পূরন করবে…!
আমার আসল উদ্দেশ্য হল, কম্পিউটার ও মোবাইল এইডেড লার্নিং ডিভিডি কার্যক্রম এর মাধ্যমে সফটওয়্যার, টিটোরিয়াল ও এইচডি কালার পিকচার নির্ভর ই-বু বা বইয়ের সহযোগিতায় শিক্ষাগ্রহন প্রক্রিয়াকে খুব সহজ ও আনন্দদায়ক করা।
এবং সকল স্টুডেন্ট ও টিচারকে কম্পিউটার ও মোবাইল প্রযুক্তির সম্পৃক্তকরণ এবং সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রযুক্তিবান্ধব করা এবং একটা বিষয় ক্লিয়ার করে বুঝিয়ে দেওয়া যে প্রযুক্তি শিক্ষাকে আনন্দদায়ক করে এবং জ্ঞান অর্জনের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি করে…
🎯 কালেকশ সম্পর্কে বিস্তারিত 👀জানতেঃ নিচের লিংকে 👆ক্লিক করুন
www.facebook.com/tanbir.ebooks/posts/777596339006593

এখানে👆 ক্লিক করুন

🎯 সুন্দর ভাবে বুঝার জন্য নিচের লিঙ্ক থেকে ই-বুক্টি ডাউনলোড করে নিন...
📥 ডাউনলোড 👆 লিংকঃ এখানে👆ক্লিক

আপডেট পেতে

আপডেট ই-বুক

Recent Posts

মন্তব্য দিন

আমার সম্পর্কে !